ভিটামিন ডি অভাব এর লক্ষণ, উপসর্গ ও করণীয় | Vitamin D Deficiency

ভিটামিন ডি এর অভাবের লক্ষণ সমূহ

Vitamin D Deficiency meaning in Bengali / ভিটামিন ডি এর অভাব কি?

Vitamin D Deficiency এর মর্ম অর্থ হলো, এই যে, আপনার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি এর বিদ্যমান নেই। এবং শরীর ভিটামিন ডি এর সোর্সগুলো থেকে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি পাচ্ছে না। যার ফলে ধীরে ধীরে আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব বা Vitamin D Deficiency হয়। ভিটামিন ডি এর অভাব কে Low Vitamin D, Vitamin D Deficiency, এবং Hypovitaminosis ও বলে ডাকা হয়।

ভিটামিন D হলো শরীরের জন্য এমন এক অপরিহার্য ভিটামিন বা পুষ্টি। যাহা আমাদের শরীর নরমাল হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য ব্যবহার করে। এমনকি এটি নার্ভ সিস্টেম (স্নায়ুতন্ত্র) পেশী ও পেশীর দূর্বলতা সহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। তথ্যসূত্রঃ

ভিটামিন ডি গ্রহণ করা কেন জরুরী?

আপনার সু-স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন ভিটামিন ডি গ্রহণ করা খুবই জরুরী। কেননা ভিটামিন ডি আপনার শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে অনেক বেশী সাহায্য করে। যেই Calcium হাড়ের উন্নতির জন্য প্রধান স্তম্ভ। এবং ভিটামিন D আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে nerves System বা স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য বাড়ায় এবং Muscles বা পেশীর স্বাস্থ্য উন্নতি করে।

আরও পড়ুনঃ ভিটামিন ডি এর উপকারিতা ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবারের তালিকা।

ভিটামিন ডি অভাবের প্রধান উপসর্গ ও লক্ষণ সমূহ

Vitamin D Deficiency signs, symptoms and treatment in bengali

সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাব তেমন স্পষ্টভাবে উপসর্গ প্রকাশ করে না। তবে ভিটামিন ডি এর তীব্র অভাব এই লক্ষণ ও উপসর্গগুলো প্রকাশ করতে পারে।

  • ক্লান্তি বা অবসাদ।
  • শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা।
  • হাড়ের ব্যাথা, যেমনঃ হাঁটু, কোমর ও হাড়ের বিভিন্ন সংযোগস্থলের ব্যথা।
  • পেশীর দুর্বলতা।
  • পেশীর ব্যথা ও হঠাৎ পেশীতে টান টান সংকোচন জনিত ব্যথা।
  • ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তিত হওয়া। এবং ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা ও উদ্বেগে থাকা।

অ-প্রাপ্ত বয়স্ক বা শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ ও উপসর্গগুলোর শীর্ষ তালিকায় রয়েছে…

  • হাড়ের ব্যাথা। বিশেষ করে তলপেটের লম্বা হাড়ের ব্যাথা যেটি শিশুকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলতে পারে। এবং ব্যাথা ও অস্বস্তিতে বাচ্চাদের ঘুমাতে দেয়না।
  • বিকলাঙ্গতা।
  • শিশুদের স্বাভাবিক ও সুস্থ বিকাশে বিলম্ব হওয়া।
  • পেশীর ব্যাথা ও দূর্বলতা।
  • পেশীতে শূলানি হওয়া।
  • শিশুর অগ্রগমন না হওয়া। তথা শিশুর হাঁটতে শিখতে বিলম্ব হওয়া।
  • শরীরে ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যহীনতা থাকা। যেমনঃ টেটানি, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, ও খিঁচুনি হওয়া।

উপরোক্ত উপসর্গ ও লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে প্রকাশ পেতেও পারে আবার নাও পেতে পারে। সুতরাং আপনার সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতি বছর অন্তর অন্তর রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ যাচাই করুন। এই ক্ষেত্রে আপনি Over The Counter তথা ফার্মেসি থেকে একটি ভিটামিন ডি টেস্ট কিট ব্যবহার করতে পারেন। তথ্যসূত্রঃ

শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব কেন হয়?

বিভিন্ন কারণে আপনার শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হতে পারে। যার তালিকায় রয়েছে..

  1. হয়তো আপনি আপনার প্রতিদিনের খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি পান না।
  2. আপনার কোষ খাবার থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি শোষণ করতে পারে না। যকৃত ও অন্ত্রের সমস্যার ফলে এমন হয় যে, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার খেলেও রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি পৌঁছায় না।
  3. আপনার লিভার বা কিডনি শরীরে ভিটামিন ডিকে সক্রিয় আকারে রূপান্তর করতে অক্ষম হয়।
  4. আপনি অনাবৃত শরীরে সরাসরি সূর্যের আলো গ্রহণ করেন না।
  5. হয়তো আপনি দীর্ঘস্থায়ী রোগের এমন কোন ওষুধ সেবন করেন। যা আপনার শরীরের ভিটামিন ডি রূপান্তরিত করণ বা শোষণ ক্ষমতাতে হস্তক্ষেপ করে।
  6. শীত ও তুষারপাত প্রভন এলাকায় বসবাস করেন।

আরও পড়ুনঃ রয়েল জেলি কি ও প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য রয়েল জেলির উপকারিতা কি?

ভিটামিন ডি এর অভাব হলে তা পূরণে করণীয় কি?

আপনার যদি ভিটামিন ডি এর অভাব হয়। তাহলে শরীরে ভিটামিন ডি এর অনুপ্রবেশ ঘটাতে নিম্নোক্ত ৩টি পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন।

  • শরীরে প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট সরাসরি সূর্যের আলো লাগান। (তবে বৃদ্ধ মানুষ ও কালো স্কিন সম্পন্ন মানুষগণ সূর্যের আলো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি নাও পেতে পারে। তাই তাদের ভিটামিন ডি এর অভাব থাকলে উচিত হলো, শরীরে রোদ লাগানোর পাশাপাশি ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার ও খাদ্য সম্পূরক থেকে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা।)
  • আপনার প্রাত্যহিক ডায়েটে যুক্ত করুন ভিটামিন ও মিনেরালস সমৃদ্ধ খাবার। এবং ভালো পরিমাণ ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার
  • ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণে, আপনার ডাক্তারের পরামর্শে আপনি একটি ভালো খাদ্য সম্পূরক গ্রহণ করতে পারেন। যেমনঃ Deva Vitamin D3 50,000 IU বা এর কম বেশী IU Dose আপনার চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী।

কারা কারা ভিটামিন ডি এর অভাবের ঝুঁকিতে রয়েছে?

নিম্নোক্ত মানুষগুলো বিভিন্ন কারণে সর্বাধিক পরিমাণে ভিটামিন ডি এর অভাবের ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।

  1. মায়ের বুকের দুগ্ধপায়ী শিশু ভিটামিন ডি এর অভাবের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ মানুষের দুধ ভিটামিন ডি জন্য এক দুর্বল উৎস। আপনি যদি আপনার শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ান। তাহলে, আপনার শিশুকে প্রতিদিন 400 IU ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট বা পরিপূরক দিন।
  2. কালো ত্বকের অধিকারী মানুষ। যাদের সূর্য থেকে ভিটামিন ডি তৈরি করার ক্ষমতা কম থাকে।
  3. বৃদ্ধ ও ৫০+ উর্ধ মানুষগণ। কারণ বয়সের ফলে তাদের ত্বক সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসলেও যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি তৈরি করে না। যেই পরিমাণ শরীর প্রাপ্ত বয়স্ক ও যুবক অবস্থায় তৈরি করতো। এমনকি তাদের কিডনিতে ভিটামিন ডিকে তার সক্রিয় আকারে রূপান্তর করার ক্ষমতা কম থাকে।
  4. যেসব লোকেদের খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতা কম। যেমন Chronic disease, ulcerative colitis, celiac disease এবং কিডনির সমস্যার রোগীগণ।
  5. যাদের obesity বা স্থূলতা রয়েছে। কারণ তাদের শরীরের চর্বি কিছু প্রকার ভিটামিন D কে আবদ্ধ করে রাখে। এবং তাকে রক্তে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
  6. যারা ভিটামিন ডি এর মাত্রাকে প্রভাবিতকারী ঔষধ সেবন করেন। তাদের ভিটামিন ডি এর অভাব হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভিটামিন ডি কে প্রভাবিতকারী ঔষধের মধ্যে রয়েছে, কোলেস্টেরল, অ্যান্টি-সিজার, স্টেরয়েড এবং ওজন কমানোর ওষুধ কিছু ঔষধ।
  7. যাদের গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারি হয়েছে, ওজন কমানোর সার্জারির একটি প্রকার যা ছোট অন্ত্রের অংশের বাইপাস তৈরি করে। যেহেতু ভিটামিন ডি সেখানে শোষিত হয়, তাই এর কিছু অংশ বাদ দিলে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি শোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে তাদের Vitamin D Deficiency হওয়ার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তাদের উচিত প্রতিদিন এর প্রয়োজনীয় পরিমাণ ভিটামিন ডি একটি ভালো মানের খাদ্য সম্পূরক থেকে গ্রহণ করা। যেমনঃ 2 Tal D3/K2 Vitamin D3 1,000 and Vitamin k2 4000IU এর কম্বিনেশন।

সুতরাং আপনার সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ যাচাই করুন। এই ক্ষেত্রে আপনি Over The Counter তথা ফার্মেসি থেকে একটি ভিটামিন ডি টেস্ট কিট ব্যবহার করতে পারেন। এবং ডাক্তার বা ফার্মাসিস্ট এর পরামর্শে ভিটামিন ডি সঠিক ডোজ নির্ধারণ করুন ও ব্যবহার করুন।

একজন সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন কত IU পরিমাণ ভিটামিন D গ্রহণ করা উচিত?

একজন সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন কত IU পরিমাণ ভিটামিন ডি গ্রহণ করা জরুরী তা নির্ভর করে তার বয়সের উপর। ডাক্তার ও পুষ্টিবিদদের পরামর্শ হলো, ( IU বা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট ভিটামিন D এর হিসেব)

  • একজন শিশু জন্মের পর থেকে ১২ মাস বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন ৪০০ IU Vitamin D এর মুখাপেক্ষী। এবং খাদ্য সম্পূরক হিসেবে তাকে 400 IU Vitamin D দেয়া ভালো।
  • ১ থেকে ১৩ বছরের বাচ্চাদের জন্য প্রতিদিন ৬০০ IU ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত।
  • Teenagers ১৪ থেকে ১৮ বছরের বালক-বালিকাদের প্রতিদিন ৬০০ IU ভিটামিন ডি গ্রহণ করার প্রয়োজন রয়েছে।
  • প্রাপ্ত বয়স্ক ১৯ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত বয়স্ক মানুষদের জন্য পুষ্টিবিদদের প্রস্তাবিত প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি এর পরিমাণ হলো ৬০০ IU বা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট।
  • বৃদ্ধ মানুষ ৭১ বছর থেকে উপরোস্থ বৃদ্ধদের জন্য প্রতিদিন ৮০০ IU Vitamin D এর প্রয়োজন রয়েছে।
  • গর্ভবতী ও দুগ্ধদায়ী নারীদের জন্য প্রতিদিন ৬০০ IU ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত।

উপরোক্ত ভিটামিন ডি এর ডেইলি পুষ্পি ভ্যালু শুধুমাত্র সুস্থ মানুষদের জন্য প্রযোজ্য। যাদের ভিটামিন ডি এর অভাব রয়েছে তাদের জন্য উচিত হলো রক্ত পরীক্ষা করে, ভিটামিন ডি এর অভাবের পরিমাণ নির্ণয় করবেন। এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সংগতীপুর্ণ Vitamin D Deficiency Supplement গ্রহণ করবেন।

ভিটামিন ডি এর অভাবে কি কি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

ভিটামিন ডি এর অভাবের লক্ষণ সমূহ
ভিটামিন ডি এর অভাব কি কি রোগ হতে পারে?

রক্তে ভিটামিন ডি এর অভাব থাকলে আপনার এই সকল রোগ হতে পারে।

  • Osteoporosis বা অস্টিওপরোসিস রোগ হয়। অর্থাৎ: ভিটামিন ডি-এর অভাবে আপনার হাড়গুলি অনেক কানেক্টিভ টিস্যু হারিয়ে দুর্বল, ঠুনকো এবং সহজে ভাঙ্গার উপক্রম থাকে।
  • হাড়ের ব্যাথা, হাঁটুর ব্যাথা ও কোমরের সংযোগ স্থলের ব্যাথা হওয়ার কারণ হতে পারে।
  • পেশীর ব্যথা ও দুর্বল পেশীর জন্য দায়ী হতে পারে।
  • ভিটামিন ডি এর অভাবে ঘন সর্দি-কাশি ও ইনফ্লুনজা জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাবের আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ঘন ঘন অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি এর অভাবের ফলে, Rickets (রিকেটস) রোগ হয়। এটি একটি অস্বাভাবিক রোগ যেখানে আক্রান্ত শিশুর হাড় একদম নরম হয়ে যায়, যা সর্বদা ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

ভিটামিন ডি বেশি খেলে ও এর পরিমাণ বেশি হলে কি হয়?

ভিটামিন ডি ক্যাপসুল প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেলে আপনার ভিটামিন ডি টক্সিসিটি হতে পারে। যার ফলে আপনার বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে। খাবারের প্রতি অনিহা ও ক্ষুদা মন্দ হতে পারে। কোষ্টকাঠিন্য, শারীরিক দুর্বলতা ও ওজন হ্রাস পেতে পারে।

কোনভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ 125 (nmol/L) (১০০%) এর থেকে বেশি থাকলে এটি আপনার কিডনির ক্ষতি করতে পারে। জেনে রাখুন! ভিটামিন ডি রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রাও বাড়ায়। আর রক্তে ক্যালসিয়ামের উচ্চ মাত্রা (হাইপারক্যালসেমিয়া) এর কারণ হয়। যা আপনার কনফিউশন বা বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে, কিডনি অকৃতকার্য হওয়া সহ উচ্চ হৃদস্পন্দন বা হার্টবিট বৃদ্ধির কারণ হয়।

তবে রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ তখনই বিষাক্রীয় জনক বেশী হয়। যখন কেউ ভিটামিন ডি সম্পূরক অত্যধিক পরিমাণে ব্যবহার করে। কেননা সূর্যের আলোর সংস্পর্শ থেকে বেশি পরিমাণ ভিটামিন D পাওয়া অসম্ভব। কারণ আমাদের ত্বক সীমিত পরিমাণ ভিটামিন ডি তৈরি করে।

আরও পড়ুনঃ ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার।

আরও পড়ুনঃ ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার তালিকা।

pharmacyseba.com

See all author post

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are makes.